Saturday, May 27, 2017

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা কী ও কেন হয়?

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা ডিপ্রেশন হলো Mood disorders বা আবেগজনিত মানসিক রোগ। মানসিক রোগের নাম নিয়েছি বলে ভাববেন না যে ডিপ্রেশন রোগীরা পাগল। প... thumbnail 1 summary
ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা

ডিপ্রেশন হলো Mood disorders বা আবেগজনিত মানসিক রোগ। মানসিক রোগের নাম নিয়েছি বলে ভাববেন না যে ডিপ্রেশন রোগীরা পাগল। পাগল হলো মানসিক রোগের চুড়ান্ত পর্যায়ের রোগী। সব মানসিক রোগী পাগল নন। ডিপ্রেশন সর্দি কাশের মতো সাধারন সমস্যা। পার্থক্য শুধু শরির আর মস্তিষ্কে।
Depression এর মধ্যে যেই E টা আছেনা সেটাই কিশোর ও যুবকদের মূল সমস্যা। সেটা হলোঃ
E=Emotional problem (আবেগজনিত সমস্যা)
http://www.webschoolbd.com

বাঙালির আবেগ এতো বেশি যে লিখে বুঝানো অসম্ভব। ফেসবুকে ১০টা স্টেটাসের মধ্যে গড়ে কমপক্ষে ৭টা আবেগজনিত। আর এই আবেগের প্রধান কারন প্রেমে ব্যর্থতা।
কিভাবে বুঝবেন আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন? অথবা ডিপ্রেশনের লক্ষন কি?
১.সর্বদা মন খারাপ থাকে।
২.কোন কিছুতে আগ্রহ থাকেনা বা কোন কিছু করে আনন্দ পাওয়া যায়না।
৩.দুর্বল বা ক্লান্তি অনুভব হয়।
৪.লেখাপড়া বা কাজে মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস থাকেনা।
৫.রাতে ঘুম হয়না।
৬.ক্ষুদা লাগেনা।

ডিপ্রেশনের চিকিৎসা তিনভাবে করা যায়ঃ
১.মনস্তাত্বিক চিকিৎসাঃ এর জন্য মানসিক ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ অথবা এমন কারো সাথে যোগাযোগ করুন যিনি এসব বিষয়ে জ্ঞানী।
২.জৈবিক চিকিৎসাঃ অর্থাৎ বিষন্নতা নিরোধক অষুধ। অষুধের নামগুলো প্রকাশ করতে পারছিনা তার জন্য ক্ষমা করবেন। কেননা কার কি পরিমানে কোন অষুধটা প্রয়োজন সেটা না জেনে অষুধ খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৩.ETC=বৈদ্যুতিক শক চিকিৎসা।

যদি ডিপ্রেশন প্রাথমিক অবস্থায় থাকে তবে ঔষুধ ছাড়া কিছু উপায় অবলম্বন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব। এখানে কিছু উপায়ের কথা বলবো যা গবেষণা থেকে নেয়া।
 ১.রাতে পর্যাপ্ত ঘুম অত্যান্ত জরুরি। তার জন্য বেশি রাত করে ঘুমাতে যাবেন না। বিছানায় মোবাইল ফোন রাখবেন না। ঘুমানোর পূর্বে বিছানায় শুয়ে বা বসে ঘুম আসার আগ পর্যন্ত বই পড়ার চেষ্টা করুন। ঘুম এলে ঘুমিয়ে পড়ুন।
 ২.সকাল ও বিকেল নিয়মিত আধঘন্টা করে হাঁটুন। টুকটাক ব্যায়ম করলে বেশি ভালো।
 ৩.মেডিটেশন করুন। সকাল ও রাতে ১০মিনিট করে। চুপচাপ বসে বুক ভরে শ্বাস নিন তারপর ৫সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
 ৪.প্রেমিকার ফোন নাম্বার ও ফেসবুক আইডি যেন ব্লক লিস্টে থাকে। ফোন নাম্বার পরিবর্তন করলে বেশি ভালো। কেননা মাঝে মধ্যে আপনার কষ্ট বাড়িয়ে দেয়ার জন্য সে কল বা মেসেজ করতে পারে। এমনটা হলে ডিপ্রেশন দূর করা অসম্ভব।
 ৫.জীবনের সবকিছু বাস্তবতা ও লজিক দিয়ে বিবেচনা করার চেষ্টা করুন।
 ৬.আপনার শখ কে প্রাধান্য দিন। যেমনঃ বই পড়া, লেখালেখি করা, গান করা, অঙ্কন করা ইত্যাদি। ওয়েব

স্কুল বিডিকে কিভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায় সে ব্যাপারে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে অথবা আমাদের সাইটে প্রকাশিত লেখায় কোন ভুল পরিলক্ষিত হলে কিংবা আপত্তি থাকলে সরাসরি লেখার লিঙ্ক সহ আমাদেরকে webschoolbd@gmail.com এই মেইলে অথবা ফোনে– (09602111125)জানাতে পারেন। আমরা অবশ্যই আপনার পরামর্শ / অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবো।

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. ….
প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত
Skype id - wschoolbd

Wednesday, May 24, 2017

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপস

সুখী জীবন কে না চাই? আমরা সকলে প্রতিনিয়ত সুখ খুজে বেড়ায়। কিন্তু কয়জনের ভাগ্যে সুখ মিলে। সুখী হতে হলে যেসব কাজ করনীয়।  ১. প্রতিদিন অন্তত ৩০... thumbnail 1 summary
সুখী জীবন কে না চাই? আমরা সকলে প্রতিনিয়ত সুখ খুজে বেড়ায়। কিন্তু কয়জনের ভাগ্যে সুখ মিলে। সুখী হতে হলে যেসব কাজ করনীয়।
 ১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০
মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে
থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে
তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত
খাবার কম খাবেন।
http://blog.webschoolbd.com

৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা
করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয়
করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয়
করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন
ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল
কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য
জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল
বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে
মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার
নাও মেনে নিতে পারেন। ১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন,
ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে
নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন
তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন
এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন,
গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি
অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও
সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের
স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের
ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ
হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য
কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা
নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে।
পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট
করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট
করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের
জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন। ২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য
আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না
হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন
তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন
এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।