Thursday, July 13, 2017

সিভি তৈরিতে বর্জনীয় বিষয়

সিভি তৈরিতে বর্জনীয় বিষয়** চাকরি পাওয়ার আগে চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে ধারণা করেন আপনারই দেয়া সিভির মাধ্যমে। আপনাকে চাকরির ব্যাপারে কথা ব... thumbnail 1 summary
সিভি তৈরিতে বর্জনীয় বিষয়** চাকরি পাওয়ার আগে চাকরিদাতা আপনার সম্পর্কে ধারণা করেন আপনারই দেয়া সিভির মাধ্যমে। আপনাকে চাকরির ব্যাপারে কথা বলতে বা ভাইভার জন্য ডাকা হবে কি-না তা নির্ধারিত হবে আনার সিভি দেখেই। তাছাড়া যাকে চাকরি দেয়ার চিন্তা করা হচ্ছে চাকরিদাতা তার সম্পর্কে জানতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। আপনারও জানানো উচিত তাকে। কিন্তু সব কিছুরই একটা পদ্ধতি রয়েছে। সিভি তৈরি করতে গিয়ে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখা উচিত। নতুবা সেটি উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি করতে পারে। আসুন বিষয়গুলো জেনে নিই। ০১. অপ্রয়োজনীয় তথ্য সম্বলিত বড় সিভি অনেকের ধারণা, সিভি যত বেশি পাতার হবে চাকরিদাতা তত বেশি খুশি হবেন। ব্যাপারটি মোটেই সত্যি না। মনে রাখবেন, চাকরির জন্য আপনি একা দরখাস্ত করেননি। আরো অনেকে রয়েছেন। তাই আপনার সম্পর্কে যেটা না জানালেই নয় সেটাই রাখুন। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিভি বাছাইয়ে প্রাথমিকভাবে মাত্র ৬ সেকেন্ড সময় নেন রিক্রুটমেন্ট অফিসার। যদি আপনাকে পছন্দ হয়, তবেই কথা এগোবে। তাই বুঝতেই পারছেন সঠিক ও সংক্ষিপ্ত সিভি আপনাকে সাফল্যের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পারে। ০২. অনেক জায়গার অভিজ্ঞতা আপনি অনেক সংস্থায় কাজ করেছেন। আপনার প্রচুর অভিজ্ঞতা। সবই ঠিক আছে। কিন্তু এটাও মনে রাখবেন, যত বেশি সংস্থায় আপনি কাজ করেছেন আপনি তত বার চাকরি পাল্টেছেন। বিষয়টি কিন্তু চাকরিদাতার নজর এড়াতে না-ও পারে। তাই বুঝে শুনে অভিজ্ঞতার কথা লিখুন। আর খুব অল্প দিনের জন্য কাজ করার অভিজ্ঞতা না দেয়াই ভালো। ০৩. কিছু ব্যক্তিগত তথ্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আপনি বিবাহিত কিনা, আপনার শখ, আপনার ধর্ম কী— এ ব্যাপারে চাকরিদাতারা সাধারণত খুব বেশি আগ্রহী হবেন। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটা দরকার হতে পারে। তাই আগে ভাবুন, এসব তথ্য আপনার পছন্দের চাকরির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি-না? ব্যক্তিগত ব্যাপারে জানার থাকলে ভাইভার সময় আপনাকে জিজ্ঞাসা করে নেয়া হবে। তাই বিষয়গুলো উল্লেখ করার দরকার নেই। ০৪. মিথ্যা বা ভুল তথ্য কখনোই না। ভীষণ খারাপ অভ্যাস এটা। চাকরিদাতাকে বোকা ভাবলে খালি হাতেই ফিরতে হবে আপনাকে। তাই কখনো মিথ্যা বা ‍ভুল তথ্য লিখবেন না। মনে রাখবেন, মিথ্যা তথ্য ধরা পড়ে গেলে চাকরি হওয়ার পরেও তা বাতিল হতে পারে। ০৫. বর্তমান চাকরির যাবতীয় তথ্য নতুন চাকরির খোঁজে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন। তাই বলে বর্তমান কর্মক্ষেত্রের যাবতীয় তথ্য সিভিতে লেখার কোনো কারণ নেই। আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন না যে, চাকরি খোঁজার খবর আপনার অফিসেও পৌঁছে যাক বা এ ব্যাপারে অফিসেই আপনাকে ফোন করা হোক। ০৬ বেতন-ভাতা আগে আপনার কাজ এবং অভিজ্ঞতা। সেটা যদি পছন্দ হয় তবেই বেতন-ভাতার প্রসঙ্গ। তাই সিভিতে ওটা দেয়ার প্রয়োজন নেই। আপনাকে পছন্দ হলে এমনিতেই চাকরিদাতা আপনার কাছে চেয়ে নেবেন। ০৭. কেন চাকরি পরিবর্তন করতে চাচ্ছেন আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। যদি কোনো সমস্যা থেকেও থাকে, সেটা বলার জন্য ইন্টারভিউকে ব্যবহার করুন। অযথা আগ বাড়িয়ে বলতে গেলে অহেতুক সমস্যায় জড়াতে পারেন। ০৮. নিজের সম্পর্কে বাগাড়ম্বর ‘আমি এটা করেছি’, ‘আমি খুব মোটিভেটেড’, ‘আমার যোগাযোগ দক্ষতা খুব ভালো’ ইত্যাদি বাগাড়ম্বর করবেন না। আপনি কী বা কে সেটা ইন্টারভিউ নেয়ার সময় চাকরিদাতা দেখবেন। তাই আগ বাড়িয়ে সিভিতে নিজের গুণ-কীর্তনের দরকার নেই

Saturday, May 27, 2017

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা কী ও কেন হয়?

ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা ডিপ্রেশন হলো Mood disorders বা আবেগজনিত মানসিক রোগ। মানসিক রোগের নাম নিয়েছি বলে ভাববেন না যে ডিপ্রেশন রোগীরা পাগল। প... thumbnail 1 summary
ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা

ডিপ্রেশন হলো Mood disorders বা আবেগজনিত মানসিক রোগ। মানসিক রোগের নাম নিয়েছি বলে ভাববেন না যে ডিপ্রেশন রোগীরা পাগল। পাগল হলো মানসিক রোগের চুড়ান্ত পর্যায়ের রোগী। সব মানসিক রোগী পাগল নন। ডিপ্রেশন সর্দি কাশের মতো সাধারন সমস্যা। পার্থক্য শুধু শরির আর মস্তিষ্কে।
Depression এর মধ্যে যেই E টা আছেনা সেটাই কিশোর ও যুবকদের মূল সমস্যা। সেটা হলোঃ
E=Emotional problem (আবেগজনিত সমস্যা)
http://www.webschoolbd.com

বাঙালির আবেগ এতো বেশি যে লিখে বুঝানো অসম্ভব। ফেসবুকে ১০টা স্টেটাসের মধ্যে গড়ে কমপক্ষে ৭টা আবেগজনিত। আর এই আবেগের প্রধান কারন প্রেমে ব্যর্থতা।
কিভাবে বুঝবেন আপনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন? অথবা ডিপ্রেশনের লক্ষন কি?
১.সর্বদা মন খারাপ থাকে।
২.কোন কিছুতে আগ্রহ থাকেনা বা কোন কিছু করে আনন্দ পাওয়া যায়না।
৩.দুর্বল বা ক্লান্তি অনুভব হয়।
৪.লেখাপড়া বা কাজে মনোযোগ ও আত্মবিশ্বাস থাকেনা।
৫.রাতে ঘুম হয়না।
৬.ক্ষুদা লাগেনা।

ডিপ্রেশনের চিকিৎসা তিনভাবে করা যায়ঃ
১.মনস্তাত্বিক চিকিৎসাঃ এর জন্য মানসিক ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ অথবা এমন কারো সাথে যোগাযোগ করুন যিনি এসব বিষয়ে জ্ঞানী।
২.জৈবিক চিকিৎসাঃ অর্থাৎ বিষন্নতা নিরোধক অষুধ। অষুধের নামগুলো প্রকাশ করতে পারছিনা তার জন্য ক্ষমা করবেন। কেননা কার কি পরিমানে কোন অষুধটা প্রয়োজন সেটা না জেনে অষুধ খেলে হিতে বিপরীত হতে পারে।
৩.ETC=বৈদ্যুতিক শক চিকিৎসা।

যদি ডিপ্রেশন প্রাথমিক অবস্থায় থাকে তবে ঔষুধ ছাড়া কিছু উপায় অবলম্বন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা সম্ভব। এখানে কিছু উপায়ের কথা বলবো যা গবেষণা থেকে নেয়া।
 ১.রাতে পর্যাপ্ত ঘুম অত্যান্ত জরুরি। তার জন্য বেশি রাত করে ঘুমাতে যাবেন না। বিছানায় মোবাইল ফোন রাখবেন না। ঘুমানোর পূর্বে বিছানায় শুয়ে বা বসে ঘুম আসার আগ পর্যন্ত বই পড়ার চেষ্টা করুন। ঘুম এলে ঘুমিয়ে পড়ুন।
 ২.সকাল ও বিকেল নিয়মিত আধঘন্টা করে হাঁটুন। টুকটাক ব্যায়ম করলে বেশি ভালো।
 ৩.মেডিটেশন করুন। সকাল ও রাতে ১০মিনিট করে। চুপচাপ বসে বুক ভরে শ্বাস নিন তারপর ৫সেকেন্ড শ্বাস ধরে রাখুন তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।
 ৪.প্রেমিকার ফোন নাম্বার ও ফেসবুক আইডি যেন ব্লক লিস্টে থাকে। ফোন নাম্বার পরিবর্তন করলে বেশি ভালো। কেননা মাঝে মধ্যে আপনার কষ্ট বাড়িয়ে দেয়ার জন্য সে কল বা মেসেজ করতে পারে। এমনটা হলে ডিপ্রেশন দূর করা অসম্ভব।
 ৫.জীবনের সবকিছু বাস্তবতা ও লজিক দিয়ে বিবেচনা করার চেষ্টা করুন।
 ৬.আপনার শখ কে প্রাধান্য দিন। যেমনঃ বই পড়া, লেখালেখি করা, গান করা, অঙ্কন করা ইত্যাদি। ওয়েব

স্কুল বিডিকে কিভাবে আরো সমৃদ্ধ করা যায় সে ব্যাপারে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে অথবা আমাদের সাইটে প্রকাশিত লেখায় কোন ভুল পরিলক্ষিত হলে কিংবা আপত্তি থাকলে সরাসরি লেখার লিঙ্ক সহ আমাদেরকে webschoolbd@gmail.com এই মেইলে অথবা ফোনে– (09602111125)জানাতে পারেন। আমরা অবশ্যই আপনার পরামর্শ / অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবো।

অনলাইন এ ক্লাস করুন একদম ফ্রী. ….
প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে ১০.৩০টা পর্যন্ত
Skype id - wschoolbd

Wednesday, May 24, 2017

সুখী জীবনের জন্য ২৫ টি টিপস

সুখী জীবন কে না চাই? আমরা সকলে প্রতিনিয়ত সুখ খুজে বেড়ায়। কিন্তু কয়জনের ভাগ্যে সুখ মিলে। সুখী হতে হলে যেসব কাজ করনীয়।  ১. প্রতিদিন অন্তত ৩০... thumbnail 1 summary
সুখী জীবন কে না চাই? আমরা সকলে প্রতিনিয়ত সুখ খুজে বেড়ায়। কিন্তু কয়জনের ভাগ্যে সুখ মিলে। সুখী হতে হলে যেসব কাজ করনীয়।
 ১. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন৷
২. নির্জন কোন স্থানে একাকী অন্তত ১০
মিনিট কাটান ও নিজেকে নিয়ে ভাবুন৷
৩. ঘুম থেকে উঠেই প্রকৃতির নির্মল পরিবেশে
থাকার চেষ্টা করুন। সারা দিনের করণীয় গুলো সম্পর্কে মনস্থির করুন।
৪. নির্ভরযোগ্য প্রাকৃতিক উপাদানে ঘরে
তৈরি খাবার বেশি খাবেন আর প্রক্রিয়াজাত
খাবার কম খাবেন।
http://blog.webschoolbd.com

৫. সবুজ চা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
৬. প্রতিদিন অন্তত ৩ জনের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করুন।
৭. গালগপ্প, অতীতের স্মৃতি, বাজে চিন্তা
করে আপনার মূল্যবান সময় এবং শক্তি অপচয়
করবেন না। ভাল কাজে সময় ও শক্তি ব্যয়
করুন।
৮. সকালের নাস্তা রাজার মত, দুপুরের খাবার প্রজার মত এবং রাতের খাবার খাবেন
ভিক্ষুকের মত।
৯. জীবন সব সময় সমান যায় না, তবুও ভাল
কিছুর অপেক্ষা করতে শিখুন।
১০. অন্যকে ঘৃনা করে সময় নষ্ট করার জন্য
জীবন খুব ছোট, সকলকে ক্ষমা করে দিন সব কিছুর জন্য।
১১. কঠিন করে কোন বিষয় ভাববেন না। সকল
বিষয়ের সহজ সমাধান চিন্তা করুন।
১২. সব তর্কে জিততে হবে এমন নয়, তবে
মতামত হিসাবে মেনে নিতে পারেন আবার
নাও মেনে নিতে পারেন। ১৩. আপনার অতীতকে শান্তভাবে চিন্তা করুন,
ভূলগুলো শুধরে নিন। অতীতের জন্য বর্তমানকে
নষ্ট করবেন না।
১৪. অন্যের জীবনের সাথে নিজের জীবন
তুলনা করবেন না।
১৫. কেউ আপনার সুখের দায়িত্ব নিয়ে বসে নেই। আপনার কাজই আপনাকে সুখ এনে দেবে।
১৬. প্রতি ৫ বছরমেয়াদী পরিকল্পনা করুন
এবং ওই সময়ের মধ্যেই তা বাস্তবায়ন করুন।
১৭. গরীবকে সাহায্য করুন। দাতা হোন,
গ্রহীতা নয়।
১৮. অন্য লোকে আপনাকে কি ভাবছে তা নিয়ে মাথা ঘামানোর দরকার নেই বরং অাপনি
অাপনাকে কি ভাবছেন সেটা মুল্যায়ন করুন ও
সঠিক কাজটি করুন।
১৯. কষ্ট পুষে রাখবেন না। কারণ সময়ের
স্রোতে সব কষ্ট ভেসে যায় তাই কষ্টের
ব্যাপারে খোলামেলা অালাপ করুন ও ঘনিষ্টদের সাথে শেয়ার করুন।
২০. মনে রাখবেন সময় যতই ভাল বা খারাপ
হোক তা বদলাবেই।
২১. অসুস্থ হলে আপনার ব্যবসা বা চাকুরী অন্য
কেউ দেখভাল করবে না। করবে বন্ধু কিংবা
নিকটাত্মীয়রা, তাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।২২. ফেইসবুক অনেক সময় নষ্ট করে।
পোষ্টটি পড়তে পড়তেই অনেক খানি সময় নষ্ট
করেছেন। ফেইসবুকে আপনার সময় নির্দিষ্ট
করুন।কতক্ষণ সময় থাকবেন এখানে।
২৩. প্রতি রাত ঘুমানোর আগে আপনার জীবনের
জন্য বাবা মাকে মনে মনে ধন্যবাদ দিন। ২৪. মনে রাখুন জীবনের কোন কোন ভুলের জন্য
আপনি ক্ষমা পেয়েছেন। সেসব ভুল আর যেন না
হয় তার জন্য সতর্ক থাকুন।
২৫. আপনার বন্ধুদেরও তথ্যগুলো জানান, যেন
তারাও আপনার ভাল দিকগুলো সম্পর্কে জানেন
এবং আপনাকে আপনার মত করে চলতে দেয়।

Thursday, April 13, 2017

নবম-রসায়ন চতুর্থ অধ্যায়ঃ পর্যায় সারণী

পর্যায় সারণীঃ অদ্যবধি আবিষ্কৃত মৌলসমূহকে তাদের ধর্মাবলীর উপর ভিত্তি করে এবং সাদৃশ্যপূর্ণ ধর্মবিশিষ্ট মৌলসমূহকে একই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত ক... thumbnail 1 summary
পর্যায় সারণীঃ
অদ্যবধি আবিষ্কৃত মৌলসমূহকে তাদের ধর্মাবলীর উপর ভিত্তি করে এবং সাদৃশ্যপূর্ণ ধর্মবিশিষ্ট মৌলসমূহকে একই পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত করে একটি যে সারণী তৈরি করা হয়েছে তাকে পর্যায় সারণী নামে অভিহিত করা হয়। সংযোজিত তথ্য, বিন্যাস ও জটিলতার ভিত্তিতে এর বেশ কয়েকটি রূপ রয়েছে- সর্বাধুনিক পর্যায় সারণী ১৯৮৯ সালে ইউপ্যাকের সিদ্ধান্তক্রমে মৌলের সর্ববহিঃস্থস্তরের ইলেক্ট্রন সংখ্যা অনুযায়ী মৌলের শ্রেণীসংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। আর এভাবেই সর্বাধুনিক পর্যায় সারণীর পত্তন ঘটে। এতে মোট ১৮টি শ্রেণী এবং ৭টি পর্যায় রয়েছে। এতে পর্যায়সমূহকে ইংরেজি 1,2,3,4,5,6,7 সংখ্যা দ্বারা এবং শ্রেণীসমূহকে রোমান হরফের বদলে ইংরেজি 1,2,3,4,5,6,7,8,9,10,11,12,13,14,15,16,17,18 সংখ্যাগুলো দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে।

ইলেক্ট্রন বিন্যাসের তিনটি নিয়ম:
 আমি এক্ষেত্রে ইলেক্ট্রন বিন্যাস কে তিনটি নিয়ম এ বিভক্ত করেছি।

 ১ম নিয়ম:
 সাধারণ ভাবে চক্রটি হল
                                   1s2 
                                   2s2 2p6
                                   3s2 3p6 3d10 
                                  4s2 4p6 4d10 4f14
  এভাবে ক্রমান্বয়ে চলমান

 এখানে
s এ সর্বোচ্ছ ইলেক্ট্রন -২ টি
 p এ সর্বোচ্ছ ইলেক্ট্রন -৬ টি
 d এ সর্বোচ্ছ ইলেক্ট্রন -১০ টি
 f এ সর্বোচ্ছ ইলেক্ট্রন -১৪ টি
 যেমন, Na(11) - 1s2 2s2 2p6 3s1

 ২য় নিয়ম :

আউফবাউ নিতী অনুসারে আমরা পাই
 যেমনঃ পটাশিয়াম k(19) - 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 4s1

এক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম হল ইলেক্ট্রন কেন 3d তে না গিয়ে 4s এ যায়??
 শক্তিস্তর ধারণা - এখানে আমি নিজস্ব একটা সহজ ট্রিক্স বের করলাম।
এখানে, s=0, p=1, d=2, f=3 এবার ধরুন 3d,
 এখানে, n=3, এবং d=2 তাই শক্তি n+l=5
 আবার, 4s, এখানে, n=4, এবং s=0 তাই শক্তি n+l=4

 আউফবাউ নিতী অনুসারে ইলেক্ট্রন আগে নিচের শক্তিস্তর পুরণ করে তাই ইলেক্ট্রন 4s পূরণ করে 3d তে যাই। তাই ইলেক্ট্রন 3d এর আগে 4s এ প্রবেশ করেছে।

৩য় নিয়ম ঃ
 ইলেক্ট্রন সম্পূর্ণ বা অর্ধপূর্ন হলে অনেক সুস্থিত হয়। যেমন - s- ২ টি অথবা ১ টি p- ৬টি অথবা ৩ টি d- ১০ টি অথবা ৫ টি f- ১৪ টি অথবা ৭ টি হলে সুস্থিত হয়।
যেমন - ক্রোমিয়াম Cr - 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 4s2 3d4 কিন্তু এই ইলেক্ট্রন বিন্যাস সঠিক নয়।
 Cr - 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 4s1 3d5
 এর কারণ 4s একটা ইলেক্ট্রন দান করলে, 3d সেটা নিয়ে নেই ফলে 4s ও 3d উভয় অর্ধপূর্ণ হয়ে স্থিতিপূর্ণ হয়। শক্তিস্তর ও অরবিটাল অরবিটাল - অরবিটাল হচ্ছে ইলেকট্রন মেঘ যেখানে ৯০-৯৫% ইলেক্ট্রন থাকে।
 অরবিটাল প্রকারভেদ:
 অরবিটাল প্রকারভেদ ৪ টি s p d f 
s অরবিটাল - n=1, l= 0, m =O, তাই অরবিটাল এর আকৃতি ও এক। গোলাকার।
 p অরবিটাল -n=2, l= 0,1 , m =-1, 0, 1 তাই আকৃতি তিন অক্ষ বরাবর তিনটি। যথাক্রমে, Px, Py, Pz 
d অরবিটাল - n=3, l=0,1,2 m=-3, -2, -1, 0, 1,2,3 তাই আকৃতি ও পাচটি কারণ m এর মান পাচঁ। যথা, dxy, dyz, dzx, d(x2-y2), dz2। 
f অরবিটাল - n=4, l= 0,1,2,3 , m=-3,-2,-1,0,1,2,3 তাই আকৃতি হবে ৭ রকমের। f অরবিটাল এখনো জানা হয়নি।
 এখানে, n হল প্রধান কোয়ান্টাম l হল সহকারী কোয়ান্টাম m হল চম্বুকীয় কোয়ান্টাম শক্তিস্তর ধারণা - এখানে আমি নিজস্ব একটা সহজ ট্রিক্স বের করলাম। s=0, p=1, d=2, f=3 এবার ধরুন 3d, এখানে, n=3, এবং d=2 তাই শক্তি n+l=5 আবার, 4s, এখানে, n=4, এবং s=0 তাই শক্তি n+l=4 আউফবাউ নিতী অনুসারে ইলেক্ট্রন আগে নিচের শক্তিস্তর পুরণ করে তাই ইলেক্ট্রন 4s পূরণ করে 3d তে যাই। 

Wednesday, April 12, 2017

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ঢাকার কলেজগুলোর নাম-ঠিকানা

যে সকল ছাত্র ছাত্রীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে চান তাদের জন্য ঢাকার কলেজ গুলোর ঠিকানা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এখানে। আশা করি, একাদশ শ্রেণিতে ... thumbnail 1 summary
যে সকল ছাত্র ছাত্রীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে চান তাদের জন্য ঢাকার কলেজ গুলোর ঠিকানা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এখানে। আশা করি, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু ছাত্র ছাত্রীরা ১০টি কলেজ নির্বাচনে উপকৃত হবে।
http://www.webschoolbd.com/

সরকারি কলেজ:
  • সরকারি বাংলা কলেজ মিরপুর, ঢাকা।
  • ঢাকা কলেজ, মিরপুর রোড, ঢাকা।
  • ইডেন মহিলা কলেজ, আজিমপুর, ঢাকা। 
  • সরকারি তিতুমীর কলেজ, মহাখালী, বনানী, ঢাকা। 
  • বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ, বকশি বাজার, ঢাকা। 
  • গভ: কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট মোহাম্মদপুর, ঢাকা। 
  • কবি নজরুল কলেজ, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা। 
  • গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, আজিমপুর, ঢাকা। 
  • সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ফার্মগেট, ঢাকা।
  •  সরকারি সঙ্গীত মহাবিদ্যালয় শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, ঢাকা। 
  • মাদ্রাসা – ই- আলিয়া বকশিবাজার, ঢাকা। শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ মিরপুর রোড, ঢাকা।
  •  শহীদ সোহরাওয়ার্দি কলেজ, লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা।
  •  কলেজ অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজী তেজগাঁও, ঢাকা।
  •  টেকনিক্যাল টিচার্স ট্রেনিং কলেজ হাজারীবাগ, ঢাকা।

 বেসরকারী কলেজ:

  •  নটরডেম কলেজ মতিঝিল, ঢাকা। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ মতিঝিল, ঢাকা।
  •  বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ রাইফেলস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বিডিআর, পিলখানা, ঢাকা।
  •  বীরশ্রেষ্ঠ নুর মোহাম্মদ রাইফেলস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বিডিআর, পিলখানা, ঢাকা।
  •  সেন্ট যোসেফ স্কুল এন্ড কলেজ আসাদগেট, মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
  •  বি এ এফ শাহীন স্কুল এন্ড কলেজ এয়ারপোর্ট রোড, তেজগাঁও, ঢাকা।
  •  ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ বেইলী রোড, সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা।
  •  অগ্রনী বালিকা স্কুল এন্ড কলেজ গভ: কোয়ার্টার, আজিমপুর, ঢাকা।
  •  সিটি কলেজ সায়েন্স ল্যাবরেটরী, মিরপুর রোড, ঢাকা।
  •  হলিক্রস কলেজ তেজগাঁও, ঢাকা।
  •  রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ উত্তরা, ঢাকা।
  •  আজিমপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ আজিমপুর, ঢাকা।
  •  ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
  •  শেখ বোরহানউদ্দীন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ নাজিমুদ্দিন রোড, ঢাকা।
  •  বাড্ডা আলাতুন্নেছা কলেজ বাড্ডা, ঢাকা।
  •  তেজগাঁও কলেজ ইন্দিরা রোড, ফার্মগেট, ঢাকা।
  •  ঢাকা কমার্স কলেজ মোহাম্মদপুর, ঢাকা। 
  • মিরপুর আদর্শ কলেজ মিরপুর, ঢাকা।
  •  ঢাকা মেট্রোপলিটন কলেজ আজিমপুর, ঢাকা।
  •  আজিমপুর কলেজ আজিমপুর, ঢাকা।
  •  আইডিয়াল কলেজ সেন্ট্রাল রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা।
  •  হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শান্তিনগর, ঢাকা।
  •  রামপুরা ডিগ্রী কলেজ রামপুরা, ঢাকা। 
  • ড: মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ কলেজ বকশিবাজার, ঢাকা।
  •  শেরে বাংলা কলেজ শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।
  •  আবুজর গিফারী কলেজ মালিবাগ, ঢাকা।
  •  তেজগাঁও মহিলা কলেজ তেজগাঁও, ঢাকা।
  •  শহীদ আনোয়ার গার্লস কলেজ ক্যান্টমেন্ট, ঢাকা।
  •  শহীদ জিয়া গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ ফরিদাবাদ, ঢাকা।
  •  দনিয়া কলেজ দনিয়া, ঢাকা।
  •  ডেমরা কলেজ ডেমরা, ঢাকা।
  •  ডা: মালেকা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ধানমন্ডি, ঢাকা। 
  • মেহেরুন্নেছা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ আজিমপুর, ঢাকা।
  •  বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ আজিমপুর, ঢাকা।
  •  টিএন্ডটি মহিলা কলেজ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা।
  •  সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা।
  •  বি.এম গুলশান কলেজ গুলশান, ঢাকা।
  •  বাওয়ানী একাডেমী মহিলা কলেজ আরমানিটোলা, ঢাকা। 
  • হযরত শাহ আলী গার্লস কলেজ মিরপুর, ঢাকা।
  •  শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ মিরপুর, ঢাকা।
  •  মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ মোহাম্মদপুর, ঢাকা।
  •  লালমাটিয়া মহিলা কলেজ ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, ঢাকা
  •  বিয়াম মডেল স্কুল এন্ড কলেজ নিউ ইস্কাটন, ঢাকা। 
  • পুরানা পল্টন গার্লস কলেজ পুরানা পল্টন, ঢাকা।
  •  ইস্পাহানী মহিলা স্কুল এন্ড কলেজ নিউ ইস্কাটন রোড, ঢাকা।
  •  ন্যাশনাল ব্যাংক পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ শান্তিনগর, ঢাকা।
  •  মাদারটেক এম এ আজিক কলেজ বাসাবো, ঢাকা।
  •  ফজলুল হক মহিলা কলেজ ফরিদাবাদ, ঢাকা।
  •  ঢাকা বয়েজ কলেজ উত্তরা, ঢাকা।
  •  ঢাকা কারিগরি কলেজ ওয়ারী, ঢাকা।

Monday, April 10, 2017

পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজির ৯নং প্রশ্নের উত্তর

পরামর্শ : কিভাবে আপনার সন্তানকে পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজির ৯নং প্রশ্নটি অল্প সময়ে শিখাবেন: - (Question No – 9. Wh-Questions) প্রথমে অর্থগুলি শিখি... thumbnail 1 summary
পরামর্শ : কিভাবে আপনার সন্তানকে পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজির ৯নং প্রশ্নটি অল্প সময়ে শিখাবেন: -
(Question No – 9. Wh-Questions)

প্রথমে অর্থগুলি শিখিয়ে নেন :
Who- কে, কে কে, কারা
Whom- কাকে, কাদেরকে 
Whose- কার, কাদের
What- কী, কী কী
Which- কোনটি, কোন কোনটি, কোনগুলি
When - কখন
Where- কোথায়
Why – কেন, কী কারণে, কী জন্যে
How – কিভাবে, কেমনভাবে, কেমন
.
কিভাবে Question তৈরি করবেন :-
যে কোন Sentence কে দুইভাবে Question তৈরি করা যায় – 

যেমন – ১. Subject ধরে ২. Object ধরে
.
প্রথমে Sentence-এর Subject শিখব -

Formation : Who / What / Which + V + O?
.
Subject ব্যক্তিবাচক হলে Who, বস্তুবাচক/ প্রাণিবাচক হলে What, এবং This, These, That, Those হলে Which বসবে।
Example : 
1. He goes to school.
Q.  Who goes to school?    
2.  He is a student.                   
 Q.  Who is a student?     
সমাধান : Subject ব্যক্তিবাচক হওয়ায় Who বসল এবং বাকি Verb + Object নিয়ম অনুযায়ী বসল।
.
2.    Education makes a man perfect.       
  Q.  What makes a man perfect.            
.
3. This is my book.                         
 Q.  Which is your book?       
সমাধান : ‘Subject’ This, হওয়ায়  Which বসল।
.
.
 
এখন Sentence-এর Object শিখব –
.
Formation : (Whom,  What,    Which,  When,  Where,   Why,  How) + Aux + Sub + Verb+--?
Note:  Object-এর ঘরে ব্যক্তিবাচক object থাকলে Whom,
 বস্তু/ প্রাণিবাচক object থাকলে What,
   this, these, that, those থাকলে Which,
  Timing word থাকলে When, 
 স্থানবাচক word থাকলে Where, 
 কারণসূচক word ( যেমন: for, because, to + verb) থাকলে Why, 
 কিভাবে বুঝালে How দিয়ে Sentence শুরু করতে হবে।
.
Example : 
 1. He is teaching English.                       
       Q. What is he teaching?
.              
 2. He bought this yesterday.                          
       Q. Which did he buy yesterday?  
.  
        
 3.    He is teaching us  English.                       
     Q. Whom is he teaching English?   

4.. He will come tomorrow.                         
       Q. When will he come?   
.            
  
 5. He lives in Dhaka.            
       Q. Where does he live?
.

নটর ডেম কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য

নটর ডেম কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য; শুরুতেই বলে রাখি লেখাটার উদ্দেশ্য হল- যারা নটর ডেম কলেজে(বিজ্ঞান বিভাগে) ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাবে তাদে... thumbnail 1 summary
নটর ডেম কলেজে ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য;

শুরুতেই বলে রাখি লেখাটার উদ্দেশ্য হল- যারা নটর ডেম কলেজে(বিজ্ঞান বিভাগে) ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাবে তাদের সামান্য সাহায্য করা। এই সাধারণ পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে যেভাবে ব্যবসা শুরু হয়েছে সেটা বন্ধে ছোট একটা পদক্ষেপ বলতে পারেন। এই লেখা পড়ে একজন নটর ডেম কলেজে ভর্তি ইচ্ছুক ছাত্র বিনা মূল্যে সম্পূর্ণ ভর্তি প্রক্রিয়া জেনে যেতে পারবেন। এই লেখাটায় থাকবে নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষা সম্পর্কে যাবতীয় প্রশ্ন এবং উত্তর।


ঢাকার বাইরে থেকে এসে এই কলেজে পড়তে গেলে থাকা-খাওয়া নিয়ে কি সমস্যা হবে?
http://www.webschoolbd.comএই প্রশ্নটা খুব কমন প্রশ্ন। থাকার সমস্যার কথা চিন্তা করে ঢাকার বাইরের অনেকেই এই কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম তুলে না। কলেজের নিজস্ব ছাত্রাবাসে থাকা না গেলেও কলেজের পাশেই আরামবাগে অনেক ছাত্র হোস্টেল আছে। যেখানে নটর ডেম কলেজের অধিকাংশ ছাত্র থাকে। সেখানে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা খুবই ভাল। এসব হোস্টেল কলেজের একেবারে সাথেই বলা চলে। হোস্টেল থেকে কলেজে যেতে ২ মিনিট সময় লাগে। তাই এই ব্যাপারে চিন্তার কোন কারণ নেই।


ভর্তি পরীক্ষা কারা দিতে পারবে?
ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার আগে নির্ধারিত একটি দিনে ফর্ম তুলতে হবে এবং তারপর সেই ফর্ম জমা দেয়ার পর জানা যাবে ভর্তি পরীক্ষা কবে হবে এবং কখন হবে। ফর্ম তোলার পর কলেজ থেকে একটি তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেখানে যারা পরীক্ষা দিতে পারবে তাদের রোল নাম্বার দেয়া থাকবে।

২০১৪ সালে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পেরেছিল যারা, তারা সকল বিষয়ে এ+ পেয়েছিল। কিন্তু ২০১৫ সালে ব্যাপারটায় একটু পরিবর্তন আসে। যাদের এসএসসির রেজাল্ট এ+ ছিল তাদেরকে পরীক্ষা দিতে দেয়া হয়েছিল এবং তারা চান্সও পেয়েছিল। বিজ্ঞানের কোন বিষয়ে এবং ইংরেজিতে এ+ মিস গেলে তাদের পরীক্ষা দিতে দেয়া হয় নি। বাংলা, সমাজ, ধর্ম- এই বিষয়গুলোতে যাদের এ+ আসেনি তারা পরীক্ষা দিতে পেরেছিল গতবছর। বাংলা,সমাজ,ধর্ম- এই বিষয়গুলোতে যদি কারও এ+ না আসে তাহলে তারাও অবশ্যই ফর্ম তুলবে।
গতবছর অনেকে সব বিষয়ে এ+ পায় নি বলে ফর্ম তুলেনি। কিন্তু তারা পরীক্ষা দিলে হয়ত অনেকেই চান্স পেয়ে যেতে পারত। গতবছর অনেকেই এজন্য আফসোস করেছিল। তুমি তো আগেই জেনে গেলে। আশা করি, তোমার আফসোস করতে হবে না।


ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কবে দেয়া হবে?
নটর ডেম কলেজের ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কবে ছাড়া হবে- সেটা এখনও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়নি। প্রথমে ফর্ম ছাড়ার সময় জানানো হবে। তারপর ফর্ম তুলে জমা দেয়ার পর জানতে পারবে পরীক্ষার তারিখ এবং সময়। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন- ২৬ মে থেকে কলেজ ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থাৎ ২৬ মে-এর মধ্যে জেনে যাবে কলেজ থেকে কবে ফর্ম দেয়া

ভর্তি পরীক্ষার ফর্ম কি বাবা-মা তুলতে পারবেন?
না। নিজে লাইনে দাঁড়িয়ে তোমাকেই ফর্ম তুলতে হবে। কারণ ফর্ম হাতে পাবার পর সেদিনই ফর্ম পূরণ করে তোমার নিজের স্বাক্ষরসহ ফর্ম জমা দিতে হবে এবং এসময় একজন অভিভাবকের স্বাক্ষর লাগে। তাই তোমার নিজের উপস্থিতি এবং বাবা অথবা মা একজনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। তবে ফর্ম পূরণের সময় বাবা-মা অথবা বড় কারও সাহায্য নিতে পারো। বন্ধুদের সাথে ফর্ম তুলে একসাথে জমা দিতে পারো। এর ফলে পরীক্ষা হলে আশেপাশে পরিচিত মুখ দেখতে পাবে। তবে পরীক্ষা হলে দেখাদেখি বা কথা বলতে পারবে না।

২য় দিন ফর্ম তুললে কোন সমস্যা হবে কি?
ফর্ম তোলার জন্য ২ দিন সময় দেয়া হয়। প্রথম দিনে অনেক ভিড় হয় এবং ২য় দিনে তেমন ভিড় হয় না। অনেকেই প্রথম দিন খুব ভোরে লাইন ধরেন। যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসবেন তাদের জন্য ২য় দিনে ফর্ম তোলা সুবিধাজনক হবে। এতে ঢাকায় এসে থাকার জন্য আলাদা খরচ করতে হবে না। ২য় দিনে ফর্ম তুললে চান্স পাওয়া যাবে না – এই ধারনা একেবারেই ভুল। আবার সবার আগে ফর্ম তুললে চান্স নিশ্চিত এই ধারণা করে আগের দিন রাতে গেটের সামনে ঘুমানোও বোকামি হবে। তাই যারা ঢাকায় থাকো তারা প্রথম দিন খুব সকালেই চলে যাবে। আর যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসবেন তাদের জন্য ২য় দিনে ফর্ম তোলাটাই ভাল হবে।


পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া কেমন হয়?

এই ভর্তি পরীক্ষাটার দুইটা অংশ-
১। লিখিত এবং ২। মৌখিক

লিখিত পরীক্ষার সময়কাল ৩০ মিনিট। এই ৩০ মিনিট সময়ে প্রশ্নপত্রের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। তবে দেখাদেখির চেষ্টা না করাই ভাল। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবার পরপরই মৌখিক পরীক্ষা হবে। সেখানে খুব সাধারণ কিছু প্রশ্ন করা হয়। একটা প্রশ্ন সবাইকেই করা হবে – “তুমি এই কলেজে কেন পড়তে চাও?” উত্তরে সত্য কথাটাই বলবে। উত্তরে বলতে পারো – তোমার নিজের ইচ্ছা আছে এবং সেই সাথে বাবা-মার ইচ্ছা আছে। এই কলেজটিতে কোন প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নেই এবং শিক্ষার মান অনেক ভাল বলে ইচ্ছাটা আরও বেশি।

লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন কোথা থেকে আসে?
২০১২,২০১৩,২০১৪ সালে ইংরেজি গ্রামার ১০টা, ফিজিক্সে ৫ টা এমসিকিউ, কেমিস্ট্রিতে ৫ টা এমসিকিউ এসেছিল। তবে ফিজিক্স-কেমিস্ট্রিতে কোন কঠিন অংক ছিলনা। গণিত বিভাগ থেকে ৪ টা অংক দেয়া হয়। ২০১৫ সালে ইংরেজি গ্রামার ১০টা, ফিজিক্সে ৪টা এমসিকিউ, কেমিস্ট্রি থেকে ৪টা এমসিকিউ এবং বায়োলজি থেকে ২ টি এমসিকিউ এসেছিল। আর গণিত বিভাগ থেকে ৪টি অংক এসেছিল। তবে গণিতে সৃজনশীল প্রশ্ন করা হয় নি। প্রতি বছরের প্রশ্ন বই থেকেই আসে। গণিতের উপর জোর দিতে পারো। পরীক্ষার আগে এসএসসি পরীক্ষার আগে গণিতের উপর যেমন প্রস্তুতি নিয়েছিলে, এবারও তেমন করে প্রস্তুতি নিবে।

লিখিত পরীক্ষা কয়েক শিফটে হয়। যেমনঃ ধর, ১০টা থেকে ১১ টা এক শিফট আবার ১১ টা থেকে ১২ টায় আরেক শিফটের পরীক্ষা হবে। এভাবে বেশ কয়েকটা শিফটে পরীক্ষা নেয়া হয় এবং প্রতি শিফটে প্রশ্ন আলাদা থাকে। ২০১৫ সালে কোন কোন শিফটের প্রশ্নে ২টি সাধারণ জ্ঞান ছিল, আবার কোন কোন শিফটে সাধারণ জ্ঞান আসেনি। তবে ৪টি অংক পারার প্রতি জোর দিলেই ভাল ফলাফল আশা করতে পারো।

সাধারণত ক্যালকুলেটর নিতে দেয়া হয় না। কিন্তু গতবছর পরীক্ষার সময় ক্যালকুলেটর নিতে দেয়া হয়েছিল। তাই এবার ক্যালকুলেটর নিয়ে যেতে পারো।


মৌখিকরীক্ষায় প্রশ্ন কেমন হয়?

উপরে একবার বলে দিয়েছি একটা প্রশ্ন কমন থাকে- “কেন এই কলেজে পড়তে চাও?” আর এই প্রশ্নের উত্তরটাও বলে দিয়েছি। এর বাইরে অনেক রকম প্রশ্নই করা হয়। অনেককে তেমন কোন প্রশ্ন করা হয় না আবার অনেকের খুবই কঠিন কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। তাই মৌখিক পরীক্ষার ব্যাপারে বলব- পজিটিভ থাকার চেষ্টা করো।

কেমন ড্রেসআপে যেতে হবে? ফর্মাল ড্রেস কি আবশ্যিক?
ফর্মাল ড্রেসে যেতে চাইলে যেতে পারো। সেটা খুবই ভাল; কিন্তু আবশ্যিক নয়। সাধারণ গেটাপেও যেতে পারো। খুব সাধারণ বলতে শার্ট আর এক রঙের চার পকেটের প্যান্ট পড়তে পারো। তবে জিন্স না পড়াটাই ভাল। এমনও অনেকে আছে যারা পাঞ্জাবি পড়ে পরীক্ষা দিয়েও চান্স পেয়েছে। সহজ কথায়, ভদ্র এবং মার্জিতভাবে যেতে হবে। চুল,নখ ছোট রাখাতে ভুল না।

পড়ার মত জুতা না থাকলে স্যান্ডেল পড়েও যেতে পারো। স্পঞ্জের স্যান্ডেল পড়েও চান্স পেয়েছে এমন উদাহরণও অনেক আছে। সত্যি কথা হল, স্মার্টনেস কাপড়ে থাকলেই হবে না ভেতরেও থাকতে হবে। শার্টের বুকের বোতাম লাগান না লাগানো নিয়ে অনেকের অনেক রকম প্রশ্ন থাকে। ভদ্রতা হল বুকের বোতাম লাগিয়ে যাওয়া। এ ব্যাপারে পরামর্শ থাকবে- ব্যতিক্রম হবার চেষ্টা করো না, এটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। অনেকে নিজেকে বেশি সহজ সরল সাজানোর জন্য কলারের বোতাম লাগিয়ে যায়। এটার তেমন প্রয়োজন নেই। কলারের বোতা পম খুলে যাবে।

পরীক্ষা খাতায় লেখার কিছু টিপস
১। পরীক্ষার প্রশ্নেই উত্তর লিখতে হবে; কোন প্রকার খাতা বা রাফশিট দেয়া হবে না। ৩০ মিনিট সময়ে সব প্রশ্নের উত্তর করাটা কঠিন কাজ, তাই ঘড়ি নিয়ে যাবে। একটি পাতায় প্রশ্ন করা হয়। প্রথম পৃষ্ঠায় থাকবে সকল প্রশ্ন আর দ্বিতীয় পৃষ্ঠা ফাঁকা থাকবে। প্রথম পৃষ্ঠায় প্রশ্নের পাশে ফাঁকাস্থানে উত্তর লিখতে হবে। ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, ইংরেজি-এর এমসিকিউ অংশের উত্তর এক শব্দে দেয়া যায়। তাই এই বিষয়গুলোর উত্তর করতে কোন সমস্যা হবে না। গণিত অংশের উত্তর করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে পারো।

২। গণিত অংশে বিগত বছরগুলোতে মোট ৪টি অংক দেয়া হয়েছে। প্রতি অংকের মাঝে দুই আঙ্গুলের মত ফাঁকা জায়গা পাবে। এতো ছোট জায়গায় কিভাবে উত্তর করতে হয় সেটা জানা খুব জরুরী। উপরে একবার উল্লেখ করেছি, দ্বিতীয় পৃষ্ঠা খালি থাকে। এই খালি পৃষ্ঠাকে কাজে লাগাতে হবে। কারণ তোমাকে কোন রাফ কাগজ দেয়া হবে না। কৌশলটা হল- পেন্সিল আর স্কেল দিয়ে শুরুতেই সমান চারভাগ করে নিবে এই সাদা পৃষ্ঠা। এরপর এখানে ৪টি অংশে পেন্সিল দিয়ে চারটি অংক করবে। পেন্সিল দিয়ে অংকগুলো রাফ করবে, তারপর প্রথম পৃষ্ঠায় চলে যাবে। অংকটি খুব দ্রুত, ছোট করে এবং স্পষ্টভাবে সমাধান করে দিবে।

৩। পরীক্ষার শুরুতে অংক প্রশ্নগুলো দেখবে। যদি পারো অংকগুলো করে ফেলবে; না পারলে অন্য প্রশ্নগুলো উত্তর করবে। উত্তর করতে করতে অংকের সমাধান মাথায় কাজ করলে তো কেল্লাফতে। একটি অংক না পারলে সেটার পেছনে একদম সময় নষ্ট করবে না। পরের উত্তরগুলো করতে থাকবে। শেষে দেখবে তোমার সকল উত্তর করা শেষ তবে হাতে ৯-১০ মিনিট সময় আছে। তখন চিন্তা করে বাকি অংকের সমাধান করতে পারবে।

৪। উত্তরে যথাসম্ভব চেষ্টা করবে সঠিক উত্তর লিখার। অবান্তর কোন কিছু লিখে আসবে না।

৫। নটর ডেমে পড়ে এমন কোন বড় ভাইয়া থাকলে তার সাথেও কথা বলতে পারো। আর যে কোন প্রশ্নের জন্য কমেন্ট সেকশন তো খোলা আছেই।

নটরডেম কলেজ এর খুঁটিনাটি

নটরডেম কলেজ এর খুঁটিনাটি ইতিহাস ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে ঢাকা শহরের লক্ষ্মীবাজারে হলি ক্রসের সিদ্ধান্ত অনুসারে রোমান ক্যাথলি... thumbnail 1 summary
http://www.webschoolbd.com
নটরডেম কলেজ এর খুঁটিনাটি

ইতিহাস
১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে ঢাকা শহরের লক্ষ্মীবাজারে হলি ক্রসের সিদ্ধান্ত অনুসারে রোমান ক্যাথলিক পাদ্রী সম্প্রদায় কর্তৃক নটরডেম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমদিকে সেন্ট গ্রেগরি কলেজ নামে পরিচিত ছিল, যা ছিল সেন্ট গ্রেগরি স্কুলের পরিবর্ধন। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে এটি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমান স্থান আরামবাগে স্থানান্তর করা হয়। তখন এটির নামকরণ করা হয় নটরডেম কলেজ।কলেজটি প্রথমে কলা ও বাণিজ্য বিষয়ে পড়ালেখা চালু করলেও পরবর্তিতে ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে বিএ এবং ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দে বিএসসি চালু করে। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে নটরডেম কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসমূহে নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করে এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মধ্যে সেরা কলেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

নামকরণ:
নটরডেম কলেজের 'নটরডেম' শব্দ দুটো ফরাসি ভাষা থেকে নেয়া হয়েছে। ইংরেজিতে যার অনুবাদ হলো 'Our Lady'। রোমান ক্যাথলিকগণ 'আওয়ার ল্যাডি' বলতে যিশুখ্রিষ্টের মা মারিয়া বা ম্যারিকে বুঝিয়ে থাকেন। তাই ক্যাথলিকদের দ্বারা পরিচালিত এই কলেজটির নাম সেই মহিয়সী নারীকে উৎসর্গ করে রাখা হয়।

মূলনীতি :
Diligite Lumen Sapientiae, যার ইংরেজি অনুবাদ Love the Light of Wisdom (জ্ঞানের আলোকে ভালোবাসো)। ক্যাথলিক ধর্মমতে, যিশুখ্রিষ্টের মা ম্যারি হলেন জ্ঞানের প্রতীক। "জ্ঞান" (Sapientiae) শব্দটি কলেজের মূখ্য উদ্দেশ্য একাধারে জ্ঞানার্জন ও জ্ঞানের উৎস স্রষ্টাকে লাভ করার প্রতি ইঙ্গিত করে। "আলো" (Lumen) শব্দটি দ্বারা অন্ধকারকে দূরিভূত করা ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্য করতে পারার প্রতি ইঙ্গিত করে। আর "ভালোবাসো" (Diligite) শব্দটি দ্বারা ভালোবাসার সাথে জ্ঞান আহরণের প্রতি ইঙ্গিত করে।

প্রতীক:
নটরডেম কলেজের প্রতীকের সবচেয়ে উপরে রয়েছে একটি খোলা বই, যার বাম পাতায় বড় ছাদের গ্রিক অক্ষর 'আলফা' (Α) এবং ডান পাতায় বড় ছাদের 'ওমেগা' (Ω) রয়েছে। আলফা-ওমেগা হলো গ্রিক বর্ণমালার, যথাক্রমে প্রথম ও শেষ অক্ষর। এর দ্বারা একই সাথে সমগ্র জ্ঞান[৪] এবং বাইবেলের রিভীলেশন অধ্যায়ের যিশুর একটি উক্তির প্রতি ইঙ্গিত করে। এছাড়া বই হচ্ছে জ্ঞানের বাহন। সম্মিলিতভাবে এই প্রতীকগুলো প্রকাশ করছে: যুগ যুগ ধরে আহরিত যাবতীয় জ্ঞান বইয়ের মধ্যে সঞ্চিত হয়ে আছে এবং তা অর্জন করতে পারলেই জীবন আলোকময় হয়ে উঠবে। এই প্রতীকটির নিচের অংশে তিনটি ক্ষেত্র রয়েছে। বাম দিকের ক্ষেত্রে দেখা যায় ৭টি ফ্লুর দে-লিস (Fleurs de-lis); "ফ্লুর দে-লিস" ফরাসি শব্দটির অর্থ হলো 'পদ্মফুল'। পদ্ম হলো বিশুদ্ধতার প্রতীক। যিশুর মা ম্যারি ছিলেন পদ্মের ন্যায় শুচি এবং পবিত্র। প্রতীকে, ৭টি পদ্ম দ্বারা ম্যারির জীবনের সাতটি শোককে প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁর জীবনের সাতটি দুঃখময় ঘটনার স্মরণে তাঁকে "সপ্তশোকের জননী" বলা হয়ে থাকে। এই প্রতীকগুলো একত্রে কষ্টসাধ্য জ্ঞানার্জনকে ইঙ্গিত করে। ডানদিকের ক্ষেত্রটির জলময় নদী, চলমান নৌকা, সোনালি ধানক্ষেত আর সীমাহীন নীলাকাশশোভিত দৃশ্যটি সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশের বুকে কলেজটির অবস্থান প্রতীকায়িত করে। নিচের ক্ষেত্রটিতে আড়াআড়িভাবে স্থাপিত দুটি নোঙরের বুকে স্থাপিত ক্রুশ হলিক্রস সন্যাস-সংঘের প্রতীক। এই প্রতীক দ্বারা প্রতীকায়িত করা হয়: ক্রুশে বিদ্ধ হয়ে যিশুখ্রিষ্টের মৃত্যু যেমন মানব জাতিকে মুক্তি এনে দিয়েছিলো, তেমনি ক্রুশার্পিত সেই যিশুকে নোঙরের ন্যায় আঁকড়ে ধরে পরিত্রাণ লাভ সম্ভব। নোঙর আশার প্রতীক। ক্রুশ থেকে চারদিকে যে আলো ছড়িয়ে পড়েছে, তা যিশুখ্রিষ্টের আলো ও মহানুভবতার প্রতীক।


প্রশাসনিক ও একাডেমিক (হেরিংটন ভবন) :

নটরডেম কলেজ, রোমান ক্যাথলিকদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল ধর্মাবলম্বী ছাত্ররাই এখানে অধ্যয়নের সুযোগ পান। কলেজটিতে শুধুমাত্র ছাত্ররা পড়তে পারে, ছাত্রীদের জন্য এখানে কোনো স্থান রাখা হয়নি। কলেজটি পরিচালিত হয় পবিত্র ক্রুশ সন্ন্যাস-সংঘের ফাদারদের দ্বারা পরিচালিত হয়। এই সন্যাস-সংঘের ফাদারগণ উত্তর আমেরিকাতে নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্টল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়, কিংস মহাবিদ্যালয়, স্টোনহিল মহাবিদ্যালয়, এবং দক্ষিণ আমেরিকার চিলির সান্তিয়াগোতে সেন্ট জর্জ মহাবিদ্যালয় পরিচালনা করেন। কলেজে সন্ন্যাসব্রতী ধর্মযাজক ছাড়াও অযাজকীয় শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন।


প্রশাসন:

ঢাকা হলি ক্রসের আদেশ অনুসারে ক্যাথলিক ফাদার কর্তৃক এটি পরিচালিত হয়। স্থাপনের পর থেকে এ পর্যন্ত ১০ জন পাদ্রী এই কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন।
জন হ্যারিংটন, ১৯৪৯-৫৪
জেমস মার্টিন, ১৯৫৪-৬০
থিওটিনিয়াস অমল গাঙ্গুলি, মার্চ, ১৯৬০ - অক্টোবর, ১৯৬০
উইলিয়াম গ্রাহাম, ১৯৬০-৬৭
জন ভ্যান্ডেন বোস, ১৯৬৭-৬৯
জোসেফ পিশোতো, ১৯৬৯-৭০
রিচার্ড উইলিয়াম টিম, ১৯৭০-৭১
অ্যামব্রোস হুইলার, ১৯৭১-৭৬
জোসেফ পিশোতো, ১৯৭৬-৯৮
বেঞ্জামিন কস্তা, ১৯৯৮-২০১২
হেমন্ত পিউস রোজারিও, ২০১২-বর্তমান

শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রম
লেখাপড়ার পাশাপাশি নটরডেম কলেজে শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রমকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। এ কারণে প্রতিবছর উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষায় ভালো ফল অর্জনের পাশাপাশি দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় এ কলেজের ছাত্ররা বরাবরই ঈর্ষনীয় সাফল্য অর্জন করে আসছে।

নটরডেম কলেজের ক্লাবসমূহ

নটরডেম কলেজে বর্তমানে (২০১২) ১৯টি ক্লাব রয়েছে। কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ এখানে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করলেও ছাত্ররাই এসব ক্লাবের প্রাণ। সারা বছর জুড়ে এই ক্লাবগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন ও কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে কলেজের ছাত্রদের উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে। এইসব ক্লাবের আয়োজিত কিছু কিছু অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান হিসাবে মর্যাদা লাভ করেছে। দেশের বিভিন্ন কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ এ কার্যক্রমগুলোকে ভিন্নমাত্রা দান করে।


নটরডেম ডিবেটিং ক্লাব
(প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৩; প্রতিষ্ঠাতা: ফাদার আর. ডব্লিউ. টিম সিএসসি)

১৯৫৩ সালে, কলেজের তৎকালীন জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফাদার রিচার্ড উইলিয়াম টিম, সিএসসি ছিলেন এই ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মডারেটর। ফাদার টিম উপমহাদেশের একজন প্রতিথযশা জীববিজ্ঞানী, ম্যাগসেসাই পুরস্কার বিজয়ী এবং নেমাটোডা পর্বের জনক।ক্লাবের বার্ষিক মুখপত্র দ্বৈরথ । এছাড়া ক্লাব প্রতিবছর দ্রোহ নামে একটি বিতর্ক কড়চা প্রকাশ করে। ক্লাব প্রতিবছর ডিবেটার'স লীগ, মিক্স-আপ, ইন্টার গ্রুপ ডিবেট, পালাবদলসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

নটরডেম বিজ্ঞান ক্লাব (প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৫; প্রতিষ্ঠাতা: ফাদার আর. ডব্লিউ. টীম সিএসসি)

নটরডেম আউটওয়ার্ড বাউন্ড এ্যাডভেঞ্চার ক্লাব (OBAC) (এডভেঞ্চার ক্লাব) (প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ অক্টোবর; প্রতিষ্ঠাতা: ফাদার আর. ডব্লিউ. টীম সিএসসি)

নটরডেম রোভার দল
(প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৭২)

নটরডেম বিজনেস ক্লাব
(নটরডেম ব্যবসায় সংঘ)(প্রতিষ্ঠাঃ ১৯৭৩)

নটরডেম চেস ক্লাব (নটরডেম দাবা সংঘ)(প্রতিষ্ঠাঃ ২৮ মার্চ, ১৯৮৪)

নটরডেম মানবিক সংঘ
(প্রতিষ্ঠাঃ ২৯ আগস্ট, ১৯৮৪)

নটরডেম ন্যাচার স্টাডি ক্লাব (নটরডেম প্রকৃতি নিরীক্ষণ সংঘ)(প্রতিষ্ঠাঃ ২৯ আগস্ট, ১৯৮৪)

দেশের প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিষয়ক বিভিন্ন তত্ত্ব ও তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার করা এবং এ বিষয়ে দেশের ছাত্র ও জনগণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালের ২৯ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয় নটরডেম ন্যাচার স্টাডি ক্লাব (নটরডেম প্রকৃতি নিরীক্ষণ সংঘ)। নটরডেম কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক জনাব মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, তৎকালীন মাত্র ২০ জন ছাত্র নিয়ে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশে, এই ক্লাবটিকেই এ ধরণের কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রথম ক্লাব হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এই ক্লাব থেকে উদ্বুদ্ধ হয়ে তৈরি হয়েছে আরো বিভিন্ন ন্যাচার স্টাডি ক্লাব, ঢাকার বিভিন্ন কলেজে। নিয়মিতভাবে ক্লাবের তরফ থেকে বেশ কিছু কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ছাত্র সদস্যদের মাঝে গঠনমূলক মনোবৃত্তির বিকাশই এসব কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য। এ ক্লাবের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে দৈনিক সংবাদ সংগ্রহ, সাপ্তাহিক ক্লাস ও সভা, পাক্ষিক ন্যাচার স্টাডি স্থান পরিদর্শন, মাসিক দেয়ালিকা, ত্রৈমাসিক পত্রিকা "নিসর্গ" প্রকাশ, মাসিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, মাসিক সভা ও মাসিক বক্তৃতা প্রতিযোগিতা, বার্ষিক সভা ও সেমিনার, বার্ষিক পত্রিকা প্রকাশ। ক্লাবের সদস্যদের উদ্যোগে প্রকাশিত বার্ষিক পত্রিকা "প্রকৃতি" সারা বছরের ক্লাব কার্যক্রমের বহিঃপ্রকাশ।[৪] এছাড়া ক্লাবটি ছাত্রদের বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী করে তোলার জন্য প্রায়ই বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন করে থাকে, যেমন: গ্রাউন্ড ট্রেনিং প্রোগ্রাম (GTP), ফটোগ্রাফি ট্রেনিং প্রোগ্রাম (PTP), অফিস ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম (OMTP), ফিল্ড ওয়ার্ক ট্রেনিং প্রোগ্রাম (FWTP), নিউজলেটার পাবলিকেশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম (NPTP), ন্যাচার জার্নালিজম ট্রেনিং প্রোগ্রাম (NJTP), কম্পিউটার ট্রেনিং প্রোগ্রাম (CTP), ক্লাব ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রাম (CMTP), সায়েন্টিফিক রিসার্চ প্রিপেয়ার্ডনেস ট্রেনিং প্রোগ্রাম (SRPTP) ইত্

















সাধারণ নিয়মাবলী

আমরা চাই ওয়েভ স্কুল বিডি হয়ে উঠুক প্রানবন্ত ও মুক্ত আলোচনার এক অনন্য স্থান। সেজন্যই ব্লগের ব্যবহারকারীদের উপর শর্তের বোঝা চাপিয়ে দিতে চাইনা।... thumbnail 1 summary

আমরা চাই ওয়েভ স্কুল বিডি হয়ে উঠুক প্রানবন্ত ও মুক্ত আলোচনার এক অনন্য স্থান। সেজন্যই ব্লগের ব্যবহারকারীদের উপর শর্তের বোঝা চাপিয়ে দিতে চাইনা। তবুও ব্লগের শৃঙ্খলার জন্য নিম্মলিখিত বিষয়গুলো অবশ্যই মানতে হবে।

#সাধারণ নিয়মাবলী:
১) শুধুমাত্র সঠিক বিভাগেই আপনার মতামত লিখুন যাতে আলোচনাগুলো সুন্দর ভাবে সাজানো থাকে। আপনার যে কোন লেখা এডমিন বা মডারেটরগণ প্রয়োজন মনে করলে যে কোন কারণে অন্যকোন বিভাগে সরিয়ে নিতে পারে এমনকি বিনা নোটিসে মুছে দেওয়ার অধিকারও সংরক্ষন করেন।
২) লেখা হতে হবে পড়াশুনা কেন্দ্রিক। পড়াশুনা ও আত্ম উন্নয়ন ব্যতীত অন্যকোনো পোষ্ট করা যাবেনা।
৩) শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রহনযোগ্য নয় এমন লেখা না লেখায় ভাল।
৪) বিশেষ কোন ব্যাক্তি, জাতি বা গোষ্ঠিকে আঘাত করে বা উষ্কানীমূলক কিছু লেখা যাবে না।
৫) ব্লগে আপনার লেখার সকল দায়-দায়িত্ব আপনার নিজের। তবে, লেখা ব্লগে প্রকাশিত হওয়ার পর তা রাখা বা মুছে ফেলার ক্ষমতা মডারেশন বোর্ডের। ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ, মডারেটরগণ বা অন্য কেউ ব্লগে প্রকাশিত আপনার লেখা সম্পর্কিত কোন দ্বায়-দ্বায়িত্ব বহন করবে না।
৬) কপিরাইট আইনের প্রতি যত্নবান হবেন এবং সম্পর্কিত যথাযথ নিয়ম মেনে চলুন।
৭) অশ্লীল বা অশালীন কোন লেখা, ছবি, লিংক বা অন্যকিছু পোস্ট করা যাবে না।
৮) সদস্য হওয়ার মাধ্যমে আপনি নিশ্চিত করছেন যে ব্লগ থেকে বিভিন্ন ইমেইল, ঘোষনা ইত্যাদি পেতে আপনার আপত্তি নেই। তবে আপনার ইমেইল একাউন্ট আমরা অন্য কোন কর্তৃপক্ষের সাথে শেয়ার করব না।
৯) ব্লগে নিবন্ধন করার পর আপনি একাউন্টটি বন্ধ করতে পারবেন না! তবে, মডারেশন বোর্ড যে কোন সময় যে কোন একাউন্ট নিষিদ্ধ (লক), বাতিল বা মুছে দেয়ার অধিকার সংরক্ষণ করেন!

# ইউজারনেম সংক্রান্ত নিয়মাবলী:
১) কোন ইউজার যদি তার ইউজারনেম ব্যবহার করে লগিন করতে সমস্যায় পড়ে শুধুমাত্র সেক্ষেত্রেই তার নাম পরিবর্তন করা যেতে পারে। স্বাভাবিক অবস্থায় নাম পরিবর্তন করা যাবে না।
২) বিশেষ ক্ষেত্রে নাম পরিবর্তন করলেও পাশাপাশি কোন নামে পরিবর্তন করতে হবে যাতে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। যেমন বিপ্র থেকে বিপ্রতীপ।
৩) ইংরেজি থেকে বাংলাতে রূপান্তরের ক্ষেত্রে অবশ্য এ বিষয়ে ছাড় থাকবে। তবে একবার বাংলায় রুপান্তরের পর ১-২ এর বিষয়টি কার্যকর হবে।
৪) কোন ব্যক্তি একাধিক ইউজার নেম ব্যবহার করে ফোরামে কোন প্রকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পরিবেশ সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে ব্লগ কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

৫) ইউজারনেম অবশ্যই সুন্দর, সহজে পঠনযোগ্য হতে হবে
    ৫.১) ব্লগ প্রশাসন, মডারেটর বা কর্তৃপক্ষের সাথে সংশ্লিষ্টতা বোঝাতে পারে এমন কোন ইউজারনেম ব্যবহার করা যাবে না। যেমন: - এডমিন, root ইত্যাদি।
    ৫.২) মানুষের ধর্মীয় অনুভুতিকে আঘাত করে এরকম নাম নেয়া যাবে না (যেমন: আল্লাহ, ফেরেশতা, শয়তান, ভগবান, ঈশ্বর ইত্যাদি)
    ৫.৩) বিখ্যাত ব্যক্তিদের নাম দিয়ে নিবন্ধন করা যাবে না (যেমন: আইনস্টাইন, আইজাক আসিমভ, নিউটন, শেক্সপিয়ার... ইত্যাদি) । তবে যদি ব্যবহারকারীর নামের সাথে বিখ্যাত ব্যক্তির নামের মিল থাকে, তবে সেটা বিবেচনা করা হতে পারে। অপর কোন গুরুত্বপূর্ণ পক্ষকে উপস্থাপন করে বা অন্য কোন পক্ষের প্রতিনিধিত্ব বোঝায়, অনুমতি ছাড়া সেরকম নামও ব্যবহার করা যাবেনা।
    ৫.৪) অপর কোন সদস্যকে ব্যঙ্গ করে কোন নাম নেয়া যাবে না।
    ৫.৫. অশ্লীল কোন নাম বা কোন অশ্লীল অর্থ বহন করে বা অশ্লীল কিছু ইঙ্গিত করে এরকম নাম নেয়া যাবে না।

৬) ব্লগের প্রয়োজনে ব্লগ প্রশাসন আপনার অন্যান্য তথ্যের পাশাপাশি ইউজারনেম, পাসওয়ার্ডও পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করে।

# টপিক/পোস্ট সংক্রান্ত নিয়মাবলী: 
১) টপিক অবশ্যই নির্দিষ্ট বিভাগে পোস্ট করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কোন বিভাগ না পেলে ব্লগ বিভাগে পোস্ট করা যাবে।
২) টপিকের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোন পোস্ট না করায় ভাল। তবে পড়াশুনা সংক্রান্ত যে কোন পোষ্ট করা যাবে।
৩) কোন টপিক খোলার আগে অবশ্যই খুঁজে দেখতে হবে যে ঐ বিষয়ে অন্যকোন টপিক আছে কিনা। থাকলে সেখানেই পোস্ট করতে হবে। এ বিষয়ের জন্য অপ্রয়োজনীয় একাধিক টপিক খোলা গ্রহনযোগ্য নয়!
৪) প্রতিটি পোস্টে অবশ্যই নূন্যতম গ্রহনযোগ্য লেখা থাকতে হবে। পোষ্টে কমপক্ষে ২৫০টি শব্দ থাকতে হবে। তবে ২৫০ এর যত বেশি ইচ্ছে লেখা যাবে।
 ৫) পরপর নিজের একই রকম একাধিক পোস্ট করা যাবে না!

#সম্মাননা বা রেপুটেশন সংক্রান্ত নিয়মাবলী:
১) শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পোস্ট/টপিকের সাথে সংশ্লিষ্ট লেখকদের উপযুক্ত সম্মাননা প্রদান করা হবে।
সম্মাননা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে ০১৫৭১৭৬৯৯০৫ মোবাইল নম্বরটি ব্যবহার করুন।

উপরোক্ত নিয়মাবলী অমান্য করলে বা ফোরামে অন্য কোনভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীর (বা সৃষ্টিকারীদের) বিরুদ্ধে মডারেশন বোর্ড নিম্মবর্ণিত এক বা একাধিক ব্যবস্থা নিবেন।
১) ওয়ার্নিং বা সতর্কতা পাঠানো।
২) সাময়িকভাবে ফোরামে নিষিদ্ধ করা।
৩) স্থায়ীভাবে ফোরামে নিষিদ্ধ করা।
৪) ইমেইল/আইপি নিষিদ্ধ করা।
৫) পোস্ট/টপিক/ইউজারনেম/রেটিং বা সংশ্লিষ্ট বিষয়টি পুরোপুরি বা আংশিক পরিবর্তন বা পরিবর্ধণ করা।
৬) সংশ্লিষ্ট পোস্ট/টপিক/সম্মাননা/রেটিং ইত্যাদি মুছে ফেলা।
৭) সংশ্লিষ্ট পোস্ট/টপিক বন্ধ করে দেয়া।
৮) যুক্তিসংগত অন্য যে কোন ব্যবস্থা।

এ বিষয়গুলো ছাড়াও ব্লগের নোটিশবোর্ডে বিভাগে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ঘোষনা, বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে যা এ শর্তগুলোর মতই অবশ্য পালনীয়।

এছাড়াও ব্লগে যে কোন বিষয়ে এডমিন এবং মডারেটরবৃন্দ সর্বময় ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন। ব্লগের কল্যানে এডমিন এবং মডারেটরবৃন্দের যেকোন সিন্ধান্তই যে কোন অবস্থায় চুড়ান্ত বলে গন্য হবে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ব্লগের স্বার্থে মডারেশন বোর্ড এই নিয়মাবলীতে সংশোধন, সংযোজন বা বিযোজন করতে পারবেন। উক্ত সবগুলো বিষয় যদি মানতে না পারেন, তাহলে আপনার ব্লগে নিবন্ধন করার প্রয়োজন নেই!

প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন-
০১৫৭১৭৬৯৯০৫।

Thursday, March 16, 2017

হাতের লেখা ভালো করার ৭টি কৌশল!!

প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই সময়ে এসে আমরা কম্পিউটার আর ট্যাবলেট জাতীয় স্মার্ট ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ। এর অনেকগুলো কারণের মধ্যে এক... thumbnail 1 summary
প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই সময়ে এসে আমরা কম্পিউটার আর ট্যাবলেট জাতীয় স্মার্ট ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসগুলোর কাছে কৃতজ্ঞ। এর অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটা হল- এখন ‘সুন্দর হাতের লেখা’ নিয়ে কিছুটা হলেও কম চিন্তা করতে হয় আমাদের।

 কিন্তু ‘সুন্দর হাতের লেখা’ বা ‘হাতের সুন্দর লেখা’ যাই বলি না কেন এখনও একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ছোটবেলায় আদর্শ লিপিতে আমরা পড়েছিলাম- ‘হস্তাক্ষর সুন্দর হইলে পরীক্ষায় অধিক নম্বর পাওয়া যা’। শুধু তা-ই নয়, সুন্দর হাতের লেখা আপনার ব্যক্তিত্বকে এক ভিন্ন মাত্রা দান করে।
http://blog.webschoolbd.com

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নামী-দামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাতের লেখার ক্লাস নেন হাতের লেখা বিশেষজ্ঞ লরা হুপার। বিজনেস ইনসাইডারসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য ৭টি পরামর্শ দিয়েছেন।

১. সঠিক উপাদান নির্ধারণ করা : লেখা শুরু করার আগে সেই জিনিসগুলো নির্বাচন করুন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। অনেকেই মনে করে থাকেন সুন্দর হাতের লেখার জন্য ‘ফাউন্টেন পেন’ অত্যাবশকীয়। আসলে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এমন একটি কলম বা পেন্সিল বেছে নিন যা আপনার আঙুলের সঙ্গে সহজে মানিয়ে যাবে এবং লেখার সময় কাগজের ওপর যাকে জোরে চাপ দিতে হবে না। আর কাগজ হিসেবে ‘নোটবুক’ জাতীয় লাইন টানা কাগজ ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. হাত এবং কবজি নমনীয় করা : ‘লেখা শুরুর আগে আমি আমার হাত হালকা করে নিই এবং কবজি দুটোকে হালকা মুচড়ে নিই যাতে এগুলো লেখার জন্য নমনীয় হয়’- হুপার বলেন। ‘বিশেষ করে যদি আপনি একটানা বেশ কয়েকদিন ধরে না লিখেন তাহলে অন্যান্য মাংসপেশীর মতো কবজি বা হাতেও একধরনের জড়তা অনুভব করবেন।’

৩. অঙ্গবিন্যাস ঠিক করা : সোজা হয়ে বসুন এবং আপনার অনভ্যস্ত হাতটিকে (যেমন ডানহাতিদের ক্ষেত্রে বাঁ হাত) কাগজ বা খাতাটিকে ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করুন। হুপার বলেন, ‘লেখার সময় আমি আমার অনভ্যস্ত হাতটিকে সামঞ্জস্য রক্ষার্থে ব্যবহার করি। এটা আমাকে স্থির থাকতে এবং ডান হাতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে সাহায্য করে।’ তবে এজন্য অবশ্যই চেয়ার-টেবিল ব্যবহার করা উত্তম।

৪. কলম ধরা : কলম বা পেন্সিল নিব এর কাছাকাছি ধরে লিখুন, তবে শক্তভাবে ধরে নয়। যদি নিবের কাছাকাছি ধরে লিখতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না করেন, তাহলে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। কারণ কলম বা পেন্সিল ধরার আসলে নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম নেই। এটা সম্পূর্ণই আপনার হাতের গড়নের ওপর নির্ভর করে।

৫. বাহু এবং কবজির অবস্থান : বেশিরভাগ মানুষই লেখার সময় শুধু আঙুল ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু হস্তাক্ষরবিদরা আঙুল দিয়ে কলম-পেন্সিল আঁকড়ে ধরেন মাত্র এবং লেখার সময় নিজেদের বাহু এবং কবজিকে সমান অবস্থানে রেখে লিখে থাকেন। হুপার বলেন, ‘এটি রপ্ত করার জন্য আপনি একটি কলম ধরে কল্পনায় (বাতাসের ওপরে) বড় বড় অক্ষর লিখতে পারেন।’

৬. তুলনামূলক ধীরগতি অবলম্বন করা : বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে যত দ্রুত পারা যায় লেখা শেষ করার একটা প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। হুপার বলেন, ‘লেখা কোনো দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। কত দ্রুত তা শেষ করবেন এটাকে গুরুত্ব না দিয়ে, প্রতিটি অক্ষর কিভাবে সুন্দর করবেন সেটাকে গুরুত্ব দিন। একটু ধীরে লিখুন এবং অক্ষরকে তার শ্রেষ্ঠ চেহারায় রূপ দিন।’ অক্ষরকে সুন্দরভাবে রূপ দিতে প্রথমে বড় বড় করে লেখার অভ্যাস করুন। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক লেখার স্টাইল ছোট আকারে হ্রাস করুন।

৭. অনুশীলন, অনুশীলন এবং অনুশীলন : হাতের লেখা ভালো করার জন্য অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। উপরোক্ত নিয়মগুলো মেনে আপনি যত বেশি অনুশীলন করবেন ততই দক্ষতা বাড়বে।